লেখাটা পুরাটা পড়বেন কেউ এড়িয়ে যাবেন না
আজ
থেকে ৪২ বছর আগে ৭ কোটি মানুষ অন্যায়-অবিচার আর যুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ
হোয়ে দেশ স্বাধীন কোরেছিল। গত ৪২ বছরে আমরা যদি একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসাবে
থাকতাম, তবে এই দেশটি শক্তিতে, উন্নতিতে, অগ্রগতিতে, প্রগতিতে কোথায় গিয়ে
দাঁড়াতো তা কল্পনারও বাইরে। একটি প্রাকৃতিক নিয়ম হোচ্ছে সকল উন্নতি,
প্রগতির, সমৃদ্ধির মূল ঐক্য। ঐক্য অনৈক্যের উপর বিজয় লাভ কোরবে এটা জগতের
চিরন্তন নিয়ম। কিন্তু আমরা আজ জাতিগতভাবে এই চিরন্তন নিয়মটি অস্বীকার
কোরেছি, ফলে আমরা সংখ্যায় ১৬ কোটি হোলেও পৃথিবীতে আমাদের কোন প্রভাব নেই,
আমাদের সমাজে কোন শান্তি নেই। এর পেছনে প্রধানত দায়ী ধর্মব্যবসায়ী আলেম
মোল্লা শ্রেণী যারা ধর্মকে নিয়ে অপরাজনীতি করে, ধর্মকে জীবিকার মাধ্যম
হিসাবে ব্যবহার করে, সন্ত্রাস করে। তারা বিভিন্নভাবে জাতিটাকে বিভিন্ন
দলে-উপদলে বিভক্ত হয়ে শত শত ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যেমন
অধিক মুনাফার স্বার্থে ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট তৈরি কোরে মানুষকে প্রভাবিত
কোরে তাদের বাণিজ্যিক সুবিধা আদায় কোরে থাকে তেমনি ধর্ম ব্যবসায়ীরাও একটি
আলাদা টাইটেলধারী জোট গঠন কোরে, সিন্ডিকেট তৈরি কোরে সাধারণ মানুষের কাছ
থেকে প্রকৃত ধর্মকে আড়াল কোরে রাখছে। সকল অসাধু ব্যবসায় যেমন গোমর থাকে,
তেমনি ধর্মব্যবসায়ীদেরও কিছু গোমর আছে। কেউ তাদের এই ধর্মব্যবসার গোমর ফাঁস
কোরে দিতে চাইলে তারা একজোট হোয়ে ‘ধর্ম গেল ধর্ম গেল’ বোলে চিৎকার শুরু
কোরে দেয়।

তারা
তাদের মুখোস উন্মোচনকারীদেরকে মুরতাদ, নাস্তিক, খ্রিস্টান ইত্যাদি ফতোয়া
দিয়ে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত কোরে তোলে। আর সাধারণ মানুষ ধর্মভীরু, তারা
আল্লাহ ও আল্লাহর রসুলকে মনে প্রাণে ভালোবাসে এবং তারা মনে করে যে এই
মাদ্রাসা-শিতি শ্রেণিই ধর্মের রক। কাজেই এই লেবাসধারী ধর্মব্যবসায়ী
মোল্লাদের কথায় তারা প্রভাবিত হয়। এই সুযোগে তারা ধর্মভীরু মানুষের
আবেগ-অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ধর্মরার অজুহাতে বাধিয়ে দেয় দাঙ্গা, ফাসাদ,
মারামারি, রক্তপাত। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না যে, এই ধর্মের ব্যবসায়ীরাই
ধর্মের প্রধান শত্র“, মানবতার বড় শত্র“। আজকে যে ধর্মের নামে ব্যবসা করা
হোচ্ছে এবং ধর্মের দোহাই দিয়ে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, অন্যায়-অবিচার,
জ্বালাও-পোড়াও করা হোচ্ছে তা মোটেও আল্লাহ-রসুলের এসলাম নয়। আল্লাহ কোর’আনে
ধর্মকে পার্থিব স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার বানাতে এবং ধর্মীয় কাজ কোরে
বিনিময় নিতে নিষেধ করেছেন। অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও এটাকে গর্হিত কাজ হিসেবে
উল্লেখ করা হোয়েছে। এরাই সেই শ্রেণী যাদেরকে রসুলাল্লাহ আসমানের নিচে
সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব হিসেবে বর্ণনা কোরেছেন।
৪২
বছর পর আজ আবারও আমাদের এই সোনার দেশকে ধ্বংস কোরে দেওয়ার চক্রান্ত চোলছে।
একটি শ্রেণি ধর্ম গেল-ধর্ম বাঁচাও যিকির তুলে আমাদের দেশটিতে একটি
গৃহযুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি কোরেছে। বৈদেশিক পরাশক্তিগুলি বিভিন্ন মতবাদ
চাপিয়ে দিয়ে আমাদের দেশেও অসংখ্য দল, মত সৃষ্টি কোরে রেখেছে, যার দ্বারা
শতধাবিভক্ত হোয়ে গেছি আমরা। এই সুযোগে তারা আমাদেরকে শাসন ও শোষণ কোরে
চোলছে। কিন্তু মানুষ এর থেকে বাঁচতে চায়। বাঁচতে হোলে এখন আবার ১৬ কোটি
মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হোতে হবে। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আমরা সমস্ত
দল-মত, মতবাদ প্ররিত্যাগ কোরে এক দল, এক জাতিতে পরিণত হবো। আমরা সবাই হবো
ভাই ভাই, একটি পরিবার। আমরা এই অরাজকতা আর দেখতে চাই না, আমরা চাই শান্তি,
নিরাপত্তা ও স্বস্তি। রাজনীতির নামে এই সহিংসতা, ধর্মের নামে এই সন্ত্রাস
আমরা আর দেখতে চাই না। এটা বাস্তবায়ন কোরতে হোলে প্রথমেই আমাদেরকে
ধর্মব্যবসায়ীদের স্বরূপ উন্মোচন করার সিদ্ধান্তে আসতে হবে, তাদের লেবাসের
অন্তরালে লুকিয়ে থাকা কুৎসিত চেহারা প্রকাশ করে দেওয়া। নতুবা জাতি কোনদিনও
সত্যের উপরে ঐক্যবদ্ধ হোতে পারবে না। আপনারা কোন বৈদেশিক শক্তিকেও ভয় পাবেন
না। আমাদের কারও মুখাপেী হোয়ে থাকার দরকার নেই। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে
পারি তাহোলে আল্লাহ আমাদেরকে যা দিয়েছেন সেটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। কাজেই
আজ আমরা ১৬ কোটি মানুষ শপথ নেব আমরা এক জাতি, আমাদের এক
দেশ, আমাদের এক মত। যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের
বিরুদ্ধে, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এবং ন্যায়ের প,ে সত্যের প,ে হকের পে
আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হবো। সময় এসেছে আজ সবাই এক হবার। ১৬ কোটি মানুষ এক হলে
পৃথিবীর কোন শক্তি নাই আমাদের উপর মাথা তুলে দাঁড়ায়। 
আপনাদের
সম্মুখে আমি যে কথাগুলো তুলে ধরলাম এর কোনটাই আমার লিখা নয় এবং সবচেয়ে বড়
সত্য হল আমি কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নই তবে আমি আমার দেশকে ভালবাসি তাই কেউ
যদি দেশের হয়ে নিরপেক্ষ ভাবে কথা বলে তাকে সমর্থন করি এবং তার যে কোন কাজে
সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণা যোগানোর চেষ্টা করি আর তারি ধারাবাহিকতায় আজ আমি
আমার ভালা লাগা এমনি একটি সত্যকন্টকে তুলে ধরলাম যা প্রতিদিন নিরপে ভাবে
প্রচার করে চলেছে ““দৈনিক দেশেরপত্র”” নামক এই পত্রিকাটি, আপনারা যদি আরো জানতে চান তাহলে তাদের ““দৈনিক দেশেরপত্র””
প্রিন্ট কপি ও পড়তে পারেন অথবা চাইলে অনলাইনে ও ভিজিট করতে পারেন এবং
চাইলে তাদের অনেক ভিডিও সিডি আছে তা ও সংগ্রহ করতে পারেন, আমার বিশ্বাস
আপনাদের কিছুটা হলেও ভালো লাগবে এবং অন্তত কয়েকটা সত্য হলেও আপনি অনুধাবন
করতে পারবেন।
তাদের পেপার লিঙ্ক>> http://desherpatro.com বই, ভিডিও এবং তাদের বিস্তারিত জানার লিঙ্ক>> http://ataglance.hezbuttawheed.com
-সৌজন্যে-

0 comments Blogger 0 Facebook
Post a Comment